Monday, April 18, 2016
Sunday, April 17, 2016
একটু জোরে চিমটি
গিয়ে ছিলাম ভারতে।সে খানে গিয়ে যোগদিলাম
ভারতের রাজনৈতিক দলে।এক বছর হতে না হতেই
শুরু
হল নিবার্চন। নিবার্চনের পাথীদের তালিকায়
দেখলাম
আমার নাম।দেখ আমি অবাক হলাম।তারপর
নেমে আসলাম নিবার্চন প্রচারনা করতে।
অবশেষে নিবার্চন শেষ হল।নিবার্চনে আমি জয়
লাভ
করলাম। পরে শুরু হল মন্ত্রী সভা গঠন করার কাজ।
সেখানেও আমার নাম। শুধু প্রধান মন্ত্রী বাদে,
সবাইকে মন্ত্রীর পদ দেওয়া হল। বাকি লইলাম
আমি সহ আরও কয়েকজন।আমি ভাবতে লাগলাম
মনে হয় মন্ত্রী হতে পারব না।অনেক দুঃখ পেলাম।
পরে বলা হল প্রধানমন্ত্রীর নাম । সেকি আমার
নাম।
আমি আমার নাম শুনে আনন্দে হাসতে লাগলাম।
পরে বাংলাদেশ, আমেরিকা সহ বিশ্বের বিভিন্ন
দেশ
থেকে আমাকে শুভেচ্ছা জানানো হল।বলিউড,
ভারতের
ক্রিকেট টিম সহ অনেক সংঘগঠন
থেকে আমাকে শুভেচ্ছা জানানো হল। এসব
দেখে বিশ্বাস করতে পারছিনা।পরে আমি আমার
হাতে একটু জোরে চিমটি মারলাম।
একি আমি তো বিছানায়। এতকন কি স্বপ্ন
দেখলাম।
বিয়ে করানো নিয়ম
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে ২১ বছর বয়সে
ছেলেদেরকে বিয়ে করানো নিয়ম আছে।আমি একটু
লক্ষ্য করে দেখলাম আমার কিছু বন্ধুর বয়স ২১
হয়েছে। এখন কি তাদের বিয়ে করা উচিত?
সবার মতামত কী ?
জীবন নষ্ট
জীবনে একটু পরিবর্তন আনা দরকার,
কিন্তু কিভাবে আনব সেইটা বুজতাছিনা!
আল্লাহ সাহায্য করো,
এভাবে চললে জীবন নষ্ট হয়ে যাবে!!
হাতে ঘড়ি
ছোট বেলায় কারো হাতে ঘড়ি থাকত না,
কিন্তু সবার হাতে সময় থাকতো………
বড় হয়ে দেখলাম সবার হাতে ঘড়ি আছে,
কিন্তু কারো হাতে সময় নাই...…..
এই ছুটির দিনেও সবাই ব্যস্ত!!
শাহরুক খানের মত
আজ আমি আর আমার এক বন্ধু মিলে ফুচকার
সাথে কাঁচা মরিস খাওয়ার প্রতিযোগীতা
করলাম rab ne bana di jodi এর সিনেমার মত।
আমি ৫৭টি কাঁচা মরিস ও ৩৩টা ফুচকা খেয়ে
বিজয়ী হলাম।এখন আমার অবস্থা শাহরুক খানের
মত,বিছানায় শুয়ে আছি।
স্বপ্ন দেখলাম
আমি রাহাত চৌধুরী।ঘুরতে খুব পছন্দ করি।ঘুরার
সাথে সাথে ছবি তুলতে পছন্দ করি।একদিন কোন
এক অজানার পথে হাঁটছিলাম।পথের সুন্দরয্য দেখে
আমি ছবি তুলতে শুরু করলাম।হঠাৎ দেখতে পারলাম
কিছু বকাটে ছেলেরা মিলে কিছু মেয়েদেরকে
ডিস্টাব করছে।আমি ভাবলাম ওরা আমার বোনের
মত, ওদেরকে বাঁচানো আমার উচিত।তাই ওদেরকে
বাঁচানো জন্য ১২ জন বকাটের ছেলেদের সাথে
বাংলা সিনেমার মত একাই লড়াই করলাম।এক এক
সবাইকে মারলাম।বকাটে ছেলেদের মাঝে ৯ জনকে
মেরে আহত করলাম।ওদের মাঝে ৩ বকাটে ছেলে
ভয় পেয়ে চলে গেল।এদিকে দেখতে পেলাম যে
মেয়েদের জন্য মারামারি করলাম তারা ভয় পেয়ে
চলে গেল। এদিকে আবার ৯ জন বকাটের ছেলের
আহত করায় আমি বেশ কষ্ট পাচ্ছি।তাই ভাবলাম
মেয়েগুলো যদি বোনের মত হয়, তাহলে ছেলে গুলো
আমার ভাইয়ের মত।তাই ওদেরকে নিয়ে কোন রকম
একটা হাসপাতালে এনে চিকিৎসা করার জন্য
ভর্তি করলাম।ওদের মাঝে কয়েক জনের জন্য রক্ত
প্রয়োজন হল।ভাগ্য ভাল আমার রক্তর গ্রুরুপের
সাথে মিলে যায়।তাই রক্ত দিলাম।সবাই সুস্থ হবার
পর হাসপাতালের সমস্ত খরচ আমি দিলাম।তারপর
সবাই সুস্থ হয়ে বাড়িতে গেল।বেশ কিছু দিন পর
পালিয়ে যাওয়ার৩ বকাটে আমাকে একটা
গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে এক অন্ধকার জায়গায় নিয়ে
মেরে আহত করে ফেলে যায়।তার পর আমি
অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকি।আমি যে ৯ জনকে মেরে
আহত করলাম,তারা এসে আমাকে নিয়ে চিকিৎসা
করায়।বেশ কিছুদিন পর আমি সুস্থ হয়ে উঠলাম।সুস্থ
হয়ে উঠার পর দেখলাম য়ারা আমাকে মেরে আহত
করছে, তারা এখন আমার সামনে। ওদেরকে দেখে
আমার রাগ উঠল।এদিকে তারা আমার পা ধরে কমা
ছেল।আর আমি ওদেরকে কমা করে দিলাম।ওরা
আমার কাছে ওয়াদা করল আর জীবনে এ ধরণের
কাজ করবে না।এসব দেখে আমার বিশ্বাস হচ্ছে
না।তাই হাতে একটা চিমটা দিলাম।একি আমিত
বিছানায় শুয়ে আছি।এতখন কি স্বপ্ন দেখলাম।
সবচেয়ে বড় ভুল করেছি
আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করেছি ফেসবুকে
account খোলে।এই ফেসবুকের কারণে আমার
ক্যারিয়ার বিপর্যয় গঠছে।এই ফেসবুকের কারণে
না পারছি ঠিক মত লেখা-পড়া, না পারছি ঠিক
মত কাজ করতে।
Phillip Hughes এর জন্য উৎসর্গ
বাংলাদেশ যদি
আজ জয়লাভ করে
তাহলে সেই জয়টা
Phillip Hughes
এর জন্য উৎসর্গ
করে দেওয়া উচিত
বলে মনে করি।
.
আর যারা খেলা দেখতে যাবেন
তার হিউজকে নিয়ে প্লেকার্ড
বা শোক সম্বলিত বাণী মাঠে
নিয়ে ঢুকবেন।
যাতে আমরা সবাইকে দেখাতে
পারি আমরা ক্রিকেটের প্রতি
শ্রদ্ধাশীল জাতি।
কাছের বন্ধুকে বিদায় দেওয়াটা অনেক কষ্টের
চয়ন বন্ধু তকে খুব মিস করব।জানি কাছের বন্ধুকে
বিদায় দেওয়াটা অনেক কষ্টের।তবুও যে বিদায়
দিতে হয়। তুই যেন থাকিস ভাল থাকিস। আর
আমাদের সবার জন্য দুয়া করিস।জানি না তর সাথে
আর কবে দেখা হবে,নাকি হবে না।তর বিদায়ের
মনটা খারাপ হলে ও তর জীবনের নতুন অধ্যায় যেন
শুভ হক সেই কামনা করি।আমরা সবাই আশা করি তুই
তর জীবনটা সুন্দর করে সাজিয়ে তোলবে।তর
সাথে আমার প্রথম দেখা আমাদের কাশীনাথ
আলাউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে।সেই থেকে পরিচয়।
যখন তুই দেশে আসবে তখন আমাদের স্কুল
থাকবে,কিন্তু থাকবে না আমাদের স্কুলে সেই
বন্ধুরা। হয়ত আমাদের সবার সাথে দেখা হবে না।
তবুও জীবনের বাকী দিনগুলো শুধু স্মৃতি হয়ে
থাকবে।বেস্ট অফ লাক চয়ন।
পকেটে টাকা
যখন পকেটে টাকা থাকে,
তখন মনে হয় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল,
আর যখন পকেটে টাকা থাকে না
তখন মনে হয় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ।
হায়রে টাকা,তর কারণে সবার জীবনটা শেষ।
বেস্ট অফ লাক কেনিয়া
বিশ্বকাপ শেষ হল।ফাইনালে অস্টলিয়া বিশাল
ব্যবধানে জয় পেল।কিন্তু আমি বাংলাদেশ ছাড়া
এবারের বিশ্বকাপের কোন ম্যাচ দেখিনি।কারণ
আমার দ্বিতীয় প্রিয় টিম কেনিয়া এবারের
বিশ্বকাপে অংশ গ্রহণ করেনি।আর সে দুঃখের
কারণে নিজ দেশ বাদে অন্য কোন দলের খেলা
দেখিনি।জানি না বিশ্বকাপে আর কবে খেলবে
কেনিয়া।আমি আশা করব আগামী বিশ্বকাপে অংশ
গ্রহন করে সবাইকে চমকে দেবে।
.
.বেস্ট অফ লাক কেনিয়া...
ছাএ জীবন
আমাদের ছাএ জীবনটা সুখের ছিল।কিন্তু
পরীক্ষা নামক একটি অধ্যায় ছাএ জীবনের সুখটা
কেড়ে নিল।আমি জীবনে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই
পরীক্ষা নামক শব্দটি। জানি না কবে যে আমার
জীবনের সব পরীক্ষা শেষ হবে।হায়রে.....
পরীক্ষা, তর কারণে জীবনটা শেষ।হে খোদা,তুমি
যেন আমাদের জীবন থেকে পরীক্ষা নামক শব্দটি
তুলে নায়
পড়ার মত ভাল কোন স্থান
সামনে পরীক্ষা। প্রচুর পড়তে হবে।মনযোগ দিয়ে
পড়ার মত ভাল কোন স্থান পাচ্ছিলাম না।তাই
শেষ পর্যন্ত নিউটনকে অনুসরণ করলাম।ভেবে
ছিলাম গাছের নীচে মনযোগ দিয়ে পড়তে বসলে
এক সময় গাছ থেকে আপেল পড়বে।যেই চিন্তা
সেই কাজ।কিন্তু একি আমার পোড়া কপাল।
আমার উপরে আপেল পড়েনি।পড়েছে গাছের
পাতা।হরে কপাল এটাই ছিল আমার ভাগ্যের
লিখন।
ভবিষ্যত
বাংলাদেশে যে পরিমাণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সে দিক বিবেচনা করলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ
খাদ্য ঘাটতিতে ভোগবে।আজকাল যুবসমাজে দেখা
যায়,বিভিন্ন হোটেল,রেস্তেরায় বন্ধু-বান্ধবদের
সাথে পার্টি দিচ্ছে।এই খাচ্ছে,সেই খাচ্ছে।শুধু
খাচ্ছে আর খাচ্ছে।কিন্তু তারা কখনও ভবিষ্যতের
কথা ভাবে নি।আর ভবিষ্যতের কথা ভাবছে
আমাদের এ যুগের শিশুরা।তাদেরকে জোর করে
খাবার দিলেও তারা খেতে চায় না।এমনকি ঔষুধ
দিলেও তারা খেতে চায় না।
হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন
হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন গুলোকে ধরে রাখার চেষ্টা
করলাম।কিন্তু স্বপ্ন গুলো বড় হওয়ায় ধরতে পারি
নি।হায় হায় এখন আমি কি করব,আমার স্বপ্নগুলো
হারিয়ে গেছে।
শিক্ষা জীবন
পৃথিবীতে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়ে
তোলোন।আর নিজে গড়ে তোলার জন্য, সেই
ছোট বেলা থেকে শিক্ষা জীবনে প্রবেশ
করলাম।আজ পর্যন্ত বেরিয়ে আসতে পারলাম
না।কপাল, সবই আমার কপালের দোষ।আমার
ভাগ্যে মনে হয় শিক্ষা শেষ হবে না।
islamic charity
আমি রাহাত একজন মুসলিম। কিন্তু প্যাকটিজে
মুসলিম ন ই।ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম শুধু এইটুকু
আমার জানা।তবে এই সেমিষ্টারে এসে কুয়াশা
নামে এই ছেলেটির সাথে আমার পরিচয়।ইসলাম
সম্বন্ধে ও আমার চেয়ে একটু হলেও বেশি জানে।
এই তো সেদিন কুয়াশার সাথে হাটতে হাটতে হঠাৎ
পথে একটি ছেলেকে দেখলাম পথে একটি
দানবাক্স নিয়ে দাড়িয়ে আছে।
আমাদের দেখে ছেলেটি কিছু অর্থ সাহায্যের জন্য
অনুরোধ করলো।কিন্তু ঠিক সে মুহূর্ত্বে আমার
কাছে টাকা না থাকায় আমি ছেলেটিকে কিছু
দিতে পারলাম না।তা দেখে কুয়াশা কিছু টাকা
দিয়ে ছেলেটিকে সাহায্য করলো।
তখন থেকেই একটি প্রশ্ন আমার মনে বারবার উকি
দিচ্ছিলো। তাই আমি ব্যাপারটা কুয়াশার সাথে
শেয়ার করার সিন্ধান্ত নিলাম।
কুয়াশাকে আমি যা সত্য তাই বললাম।আসলে গত
ক'সপ্তাহ যাবত আমি নিজেই চলছিলাম ধার-
খর'চের উপর।টিউশনির টাকাও সময় মত হাতে
পাচ্ছিলাম না। তাই একরকম মুখ লুকিয়ে চলতে হত
বন্ধুর কাছ থেকে।
তাহলে ব্যাপারটা কি এমন নয় সেদিন আমার কাছে
টাকা থাকলে আমি পূর্ণ্য কিনতে পারতাম।
হ্যা, রাহাত তুই যা বললি তা আমি পুরোপুরি ফেলে
দিতে পারছি না।আমি উত্তরটা দিচ্ছি, তবে
ইসলাম সম্বন্ধে এইটুক জেনে রাখা ভালো যে
ইসলাম শুধুমাত্র কয়েকটা মিছুয়ালছের নাম না।
Islam is complete code of life.
আল্লাহ তাআলা বলেন, আল্লাহ তোমাদের জন্য
যা সহজ তা চান, যেটা কষ্টদায়ক তা চান না।আর
পূর্ণ্য অর্জনের ক্ষেত্রে one of easiest ways
হচ্ছে charity, islamic charity.
রাস্তাঘাটে এমন কি হয় না যে আমরা দেখি
অনেকেই ঠিকানা খোজে পাচ্ছেনা। অথবা পথ
হারিয়ে ফেলেছে, এবং আমাদের কাছে সাহায্য
চায়। এই বিষয়ে রাসুল উল্লাহ (স:) বলেছেন পথ
হারানো ব্যক্তিকে পথ দেখানো দানস্বরূপ। তো
আমরা যদি সেই ব্যক্তিকে পথ দেখিয়ে দেই বা
ঠিকানা পর্যন্ত পৌছিয়ে দেই তাহলে সেটা তো
একটা islamic charityহল। আল্লাহ তাআলার
সন্তুষ্টি অর্জনের একটা পথও হল।
এছাড়া আমাদের প্রত্যেকের-ই কোন না কোন
খারাপ অভ্যাস রয়েছে যা আমাদের নিজেদের
এবং অপরের জন্য ক্ষতিকর। রাসুল উল্লাহ (স:)
বলেছেন সৎ কাজে আদেশ দেওয়া ও অসৎ কাজে
নিষেধ করা দানস্বরূপ।
এমনকি রাসুল উল্লাহ (স:) এটাও বলেছেন রাস্তা
থেকে পাথর, কাটা, হাড্ডি এইসব দূর করাও islamic
charity.
আর তোমার পাওনাদার হয়ত নিশ্চয়ই এতদিনে
তোমার উপর রাগ হয়ে আছে। পাওনাদার ভাইকে
টাকা ফিরত দেওয়ার সময় তার সাথে হাসিমুখে
কথা বললেই হয়ত তার মনটা ভালো হয়ে যেতে পারে।
ক্যাম্পেইন আনন্দ
আগ্রহ-উত্তেজনা ও
আনন্দ-উল্লাস, গান-কৌতুক, স্যারদের সাথে
আন্ডা-ছবি, নান্টু ঘটকের মজার বাণী,সাথে
অমিতের ভাব,মিশুর গান,রিমনের প্রতিভা,পাশে
থাকা পাটনারের নির্যাতন,কখনও মেয়েদের
ভাব,ছেলেদের সাথে ছাপাবাজি,সুমন ভাইয়ের
দেওয়া চলন্ত বাসে পার্টি, নবিনের বাস
সার্ভিস,মাঝে মাঝে অন্যন্যা বন্ধু মজার কিছুর
সময়, এসব নিয়েই আমাদের আনন্দ ক্যাম্পেইন
খুবই ভাল কাটছে।আহা....আহা....আহা....এই
ধরণের আনন্দ আর চাই না।
স্যান্ডালিনার পরিবার
নতুন একটা পরিবার পেয়েছিলাম।স্যান্ডালিনার
পরিবার।আজ সে পরিবার ছাড়া আমি একা।মনটা
আজ খুব খারাপ।১৮ দিনের ক্যাম্পইন এর মাঝে
সবার সাথে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে ছিল।অনেক কিছু
শিক্ষা হল,অনেক অজানা বিষয় জানা হল।নতুন
নতুন ভাই-বোন,স্যার,বন্ধু-বান্ধদের সাথে পরিচয়
হল।আর সেখান থেকে ভাল একটা পরিবার গড়ে
উঠা।জানি না আর কখন সবার সাথে দেখা হবে।না
কি হবে না।তবে এই ক্যাম্পইনটা ছিল আমার
জীবনের প্রথম ক্যাম্পইন।আসলে জীবনের প্রথম
কোন কিছু ভুলা যায় না।তাই আমি জীবনে এই
ক্যাম্পইনের কথা কোন দিনও ভুলব না।ক্যাম্পইন
এর সবার কথা আমার চিরকাল মনে থাকবে।
সবাইকে (নাসির স্যার,ফয়সার স্যার,পিকে
স্যার,মুন্না স্যার,ইলিয়াস স্যার ও আমাদের
সহকর্মী মিশু,অমিত,নিপু,রুমন,বিমান,রিজন
,এবাইদুর,নবীন, নান্টু,রিমন,অামির,সুমন,
কাইয়ুম,ফখরুল,মহসিন ভাই সহ লিলি,নাসরিন,সুই
টি,বিউটি,সুরভী,সেতু,রাজিয়া, নাসরিন, তানিয়া,
মিতালী,তাসমিন সেবিন,রাজিয়া
শারমিন,পলি,জুলি,উপমা) খুব মিস করব।সবাই ভাল
থাক এই আশাই করি।
জীবনটাকে পরির্বতন করি
চুপ,অনেক হয়েছে।এবার আর নয়।আসুন সবাই মিলে
জীবনটাকে পরির্বতন করি।আপনার জীবটা
আমাকে দিন। এবং আমার জীবনটা আপনি নিন।
জন্ম যখন হয়েছে,মৃত্যু অবশ্যই হবে।
আজ আমার জন্মদিন।কিন্তু কেন যেন আজ
আমার মৃত্যু কথা বেশি মনে পড়ছে।জানি এটাই
স্বাভাবিক ।জন্ম যখন হয়েছে,মৃত্যু অবশ্যই হবে।
আমি চেয়েছিলাম এবারের জন্মদিনটা সরণীয়
করে রাখতে।তাই এবারে জন্মদিনটা সরণীয়
করে রাখলাম অন্যভাবে।কিন্তু এবারের জন্মদিন
আমি জীবনে কোন দিন ভুলব না।কারণটা আমি
মন দিয়ে কেউকে বোঝানোর ক্ষমতা আমার
নেই।যারা আজ আমার জন্মদিনে শুভেচ্ছা
জানিয়েছে, আর যারা জানান নি তাদের
সবাইকে ও আমার জন্মদিনের আন্তরিক ধন্যবাদ
ও কৃতজ্ঞতা রইল।এবং আজ আমার সাথে যারা
সারা দিন ছিলেন এবং যারা আমাদেরকে
সাহায্য করছেন তাদের সবার কথা আমি জীবনে
কোন দিন ভুলব না।সবাই আমাদের জন্য দোয়া
করবেন।
আমি আর জন্মদিনে আমার পরিবার ছাড়া
কোথায় যাব না।
Complete Sher ka Dholai WE ARE PROUD OF OUR CRICKET TEAM
ইন্ডিয়া বেশি বাড়াবাড়ি করতাছে ।
মকা . . . . মকা . . . . এড বানাইছে ।
সেখানে বাংলাদেশকে হেইট করা হয়েছে ।
তার সাথে পেপসিও আছে।
আবার কিছুদিন আগে চিত্র নায়ক প্রসেনজিৎ
ও তার এক স্ট্যাটাস এ বাংলার টাইগার্সদের
বিড়াল বলে অপমান করছিল। যদি ও আমাদের
সবার প্রতিবাদের ফলে তিনি বাংলাদেশ কে
সরি বলতে বাধ্য হয়েছিল। তাই আর একবার
গর্জে উঠুন। প্রতিবাদ করুন। এবার বাংলাদেশের
সাথে খেলতে দেশে আসবে ভারত।পাকিস্তানের
মত আমরা এবার ভারতে ও বাংলা ওয়াস করাব।
ভারত ও বাংলাদেশের ম্যাচ এর আগে মাঠের
বাইরে কি করছেন ভক্তরা।নিচের ভিডিওটি
দেখলে সবাই বোঝতে পারবেন।
http://ahjjaman.blogspot.in/2016/02/blog-post_45.html?m=1
পরীক্ষায় ফেল
মনটা খুবই খারাপ।কারণ আমি পিএসসি পরীক্ষায়
ফেল করছি।এই জন্যআমার HAPPY NEW YEAR
আর হেপি রইল না।
Friday, April 15, 2016
সুন্দর কনে পাওয়ার উপায় AH JJAMAN
আজ আমার এক বন্ধু প্রশ্ন করল-সবাই এত স্টাইল
করে,রুপ চর্চা করে।সবাইকে দেখতে ও অনেক সুন্দর
লাগে। কিন্তু তুই রুপ চর্চা ও স্টাইল করছ না,আবার
তরে দেখতে ও সুন্দর লাগে না কেন?
আমি বললাম-অনেক মানুষের কাছে একটা কথা
শুনেছিলাম,যে ছেলে সুন্দর তার কপালে অসুন্দর
কনে জোটে।আর যে ছেলে অসুন্দর তার কপালে
সুন্দর কনে জোটে।তাই আমি রুপ চর্চা ও স্টাইল
করি না,মানে সুন্দর হয়ে থাকি না। এক কথায়
বললে আমি সুন্দর কনে পাওয়ার জন্য অসুন্দর হয়ে
থাকি। হা...হা....হা...
রং নাম্বার AH JJAMAN
অাজ সকালে ঘুমের মাঝে একটা কল আসল।আমি চোখ বন্ধ অবস্থায় কলটা রিসিভ করে বললাম হ্যাল। ওপাশ থেকে একজন মেয়ের কন্ঠ শুনতে পারলাম তুমি কোথায় আছ। আমি বললাম, বিছানায় শুয়ে আছি। মেয়েটি বলল তাড়াতাড়ি চলে আস।আমি বললাম কোথায় আসব।মেয়েটি তখন একটি জায়গার নাম বলল।তারপর আমি বললাম বলত তুমি কাকে কল দিয়েছ।সে কথা শুনার পর মেয়েটি বলে উঠে ফাইসলামি কর আমার সাথে,আমি আমার ভালবাসার মানুষকে কল দিয়েছি।সে কথা শুনার পর লাফ দিয়ে উঠলাম ঘুম থেকে।তারপর বললাম আসসালামু আলাইকুম আপা, যার জীবনে কোন দিন মেয়ে বন্ধু আসেনি সে আবার ভালবাসার মানুষ পায় কোথায় থেকে।ভাল করে নাম্বার দেখেন কাকে কল দিয়েছেন। নাম্বার দেখে মেয়েটি আমাকে Sorry বলল ভুল নাম্বারে কল দিয়েছে বলে।তারপর মেয়েটি আমার সাথে আরও কথা বলতে চেয়েছিল।কিন্তু আমি কলটা কেটে দেই।আর কলটা কেটে দেবার পর Feeling আহা কি শান্তি মনে উপল্বধি করলাম।
চুপ থাকেন AH JJAMAN
চুপ থাকেন।
আমি সবাইকে কিছু বলব,
আমি সবাইকে বলতে চাই
.
.
.
.
.
.
.
.
.
আমি সব ভুলে গেছি:-)
জন্মদিনটা মৃত্যু দিন হয়ে যেত
জন্মদিনটা মৃত্যু দিন হয়ে যেত,যদি সৃষ্টি কর্তা রহমত
না থাকত।
সুসময়টা দুসময় হয়ে যেত যদি সৃষ্টি কর্তা সাথে না
থাকতেন।
জীবনের স্বপ্ন,আনন্দ মাটি হয়ে যেত,যদি সৃষ্টি কর্তা
রক্ষা না করতেন।
তাই আসুন আমরা সবাই সৃষ্টি কর্তার ইবাদত করি।মহান
আল্লাহ তাআয়ালা যেন সব সময় আমাদের সাথে থাকেন
এবং আমাদেরকে ভাল রাখেন।
.... .. . . আমিন।
Thursday, April 7, 2016
চিন্তায় আছি.
কোথায় আমাদের জীবন ? কি তার
ভবিষ্যৎ? কোন পথে যাচ্ছি
আমরা ? কিইবা আমাদের
উদ্দেশ্য? আমাদের কি করা উচিত
ছিল? আর আমরা কি করছি ?
মেয়ে আমার বাসা
আমি এখন যেই বাসায় থাকি সেই বাসার পাশে
গার্লস স্কুল.. প্রতিদিন ১০০০ মেয়ে আমার
বাসার পাশের রোড দিয়ে যায়... রোডটি
আমার জানালার পাশে.. সকাল বেলা
আমার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে.. কিছু কিছু মেয়ে
আবার জানালা দিয়ে উকিও মারে... এই
অবস্থায় কি করিতে পারি ??
প্রথম রমজান এর উপলক্ষে দুপুরের খাবার
প্রথম রমজান এর উপলক্ষে দুপুরের খাবারটা এই মাএ
পানসী রেস্টুরেন্ট এ সেরেনিলাম।সাথে বাংলাদেশের
জয় এর উপলক্ষে স্পেশিয়াল ড্রিংকস।আগামীকালের
দুপুরের খাবারের সবাই নিমন্তন রইল।
রমজানে দুপুরে বিয়ের দাওয়াত
সব কিছু অপরির্তন রেখে যদি বিয়ের দাওয়াত হিসেবে
সবাইকে দুপুরে নিমন্তন করা হয়, তাহলে কি সবাই
দাওয়াতে আসবে।না কেউ আসবে না।কারণ মানুষ
স্বার্থপর। কিছু খেতে পারবে না বলে কেউ বিয়েতে
যাবে না।কেউ যাক আর না যাক।আমি যাব।কারণ
আমার কাছে খাবারটা বড় নয়।আমার কাছে সুন্দর
সুন্দর মেয়ে দেখাটা বড়।
ভবিষ্যত তো খুজে পাচ্ছি না
এক সময় ভবিষ্যত ভবিষ্যত করে পড়ালেখা
করছিলাম, হিসাব মতো এখনই সেই ভবিষ্যত
হওয়ার কথা…. কিন্তু ভবিষ্যত তো খুজে পাচ্ছি
না।
ফেসবুক জেলখানা
আমরা ফেসবুক নামক জেলখানায় বন্দি আছি।এই
জেলখানায় এক বার প্রবেশ করলে আর বের হয়ে
আসা যায় না।ফেসবুক জেলখানায় প্রবেশ করতে হলে
কোন খুন,রাহাজানি,চুরি,ডাকাতি করতে হয় না।শুধু
ফেসবুক নামক জেলখানায় একাউন্ট খোলতে হয়।আমি
সবাইকে একটা অনুরোধ করব,আগামী প্রজন্মকে এই
জেলখানায় একাউন্ট খোলে না দেওয়া হক।
নোট 3 ফোনটি পানিতে হারিয়ে
ঈদের আনন্দ বেশি করতে গিয়ে বন্ধু সাদমানে নোট 3
ফোনটি পানিতে হারিয়ে ফেলে।আর সেই কারণে দিনের
সব আনন্দ পানিতে ভাসিয়ে দুঃখ নিয়ে কাটালাম
প্রেমে পরেছি
বই পড়তে পড়তে আমরা অসহায় হয়ে পড়ি।তবুও আমরা
পড়ি..কেবল ই
পড়ি।শুয়ে বসে উল্টা হয়ে পড়ি। পড়তে পড়তে
ঘুমিয়ে পড়ি,অসুস্থ হই ।তবুও আমরা পড়ি..কেবল
ই পড়ি।ছোটবেলায় পড়তাম ,লেখা পড়া করে যে
গাড়িঘোড়ায় চড়ে সে।এত বড় হয়ে গেলাম
পড়াশোনা শেষ হল না।আর এখন অ গাড়িঘোড়ায়
চড়া ও হল না। তবে একটা বই এর ই প্রেমে
পরেছি। আর সেটা হল ফেইসবুক ।
ক্ষমা করে দিও
'মা-বাবা, তোমরা আমাকে ক্ষমা করে
দিও। আমি বড় হতে চেয়েছিলাম। অনেক
আশা নিয়ে সব কিছু সাজিয়েছিলাম।
কিন্তু জীবন আমার সব শেষ করে দিল।
আমি বেঁচে থাকলেও আর সুখী হতে
পারব না। আমি আমার স্বপ্নটা পূরণ করতে পারব
না,তাই তোমাদের স্বপ্নটাও পূরণ করতে পারব না।আমি
চেয়েছিলাম ভাল হয়ে চলতে,ভাল হয়ে থাকতে,ভাল ভাল
কাজ করতে।কিন্তু ওরা আমাকে আমার অধিকার দিচ্ছে
না।কারণ আমি ছেলে হয়ে জন্মেছি বলে।এদেশে
বর্তমানে মেয়েদের সুযোগ-সুবিধা বেশি।মেয়েদেরকে সব
চাকরি-বাকরি দিয়ে আমাদের ছেলেদেরকে বেকার করে
রাখছে।তাছাড়া অনেক কারণ রয়েছে যা আমার পক্ষে বলা
সম্ভব নয়।তাই এই জীবনের কোন মূল্য নেই বলে
আমাদের অাত্নহত্যা করার ছাড়া আর কোন পথ নেই।
বন্ধু দিবস
আজ বন্ধু দিবস।বন্ধু দিবস উপলক্ষে কয়েক জন
অপরিচিত মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করতে গেলাম।তাই
আজ আমার এ অবস্থা।এই কারণে আমি একদিনের
জন্য বন্ধু দিবস চাই না।
নববিবাহিতদের এমন কিছু উপহার দেওয়া দরকার
সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিয়ে খুবই
গুরুত্বপূর্ণ। তাই অনুষ্ঠান যেমনই হোক,
বিয়েবাড়িতে যাওয়ার আগে প্রথমেই
পরিকল্পনা করে নিতে হয়। নববিবাহিতদের
এমন কিছু উপহার দেওয়া দরকার, যা একটু বেশি সময়
স্থায়ী থাকবে। প্রথমে লক্ষ রাখতে
হবে, উপহারটি যেন নান্দনিক হয়। বাজেটের
সঙ্গে সংগতি রেখে শিল্পরুচির পরিচয় বহন
করে। সে পরিকল্পনা করছিলাম। কিন্তু বন্ধু শাকিলের
কথা রাখতে জীবনের প্রথম খালি হাতে দাওয়াত রক্ষা
করতে গেলাম।খালি হাতে যাওয়ার জন্য বাসায় বকানি
খেলাম।
ও নদীরে
ও নদীরে.......
মন খারাপের একটা ওষুধ হল নদীর পাড়ে
বসে থাকা। নদী আর আকাশের রূপের
খেলা দেখে যদি কাটিয়ে দেয়া যায়
সারাটা দিন, সারাটা জীবন। আকাশ, নদী
আর নদীতীরের কিছু ছবি দিয়ে সাজালাম
আজকের পোস্ট।
মহা ভুল করেছি.
আজ থেকে ১২-১৩ বছর
আগে গ্রাম থেকে শহরে এসেছি ভাল করে লেখা
পড়া করে বড় হতে।কিন্তু শহর জীবনে পড়া-লেখা শুরু
করার কয়েক বছর পর ফেসবুকে একাউন্ট খুলি।তার পর
থেকে পড়া-লেখায় অমনযোগী হয়ে ফেসবুকে মনযোগী
হয়ে উঠি।আর এখন আমি বড় হয়েছি,অনেক বড়।তবে
পড়া-লেখা করে বড় হইনি, বড় হয়েছি ফেসবুক চালিয়ে।
বিপদে
আমরা সবাই ঘুরতে পছন্দ করি।কিন্তু ঘুরাঘুরি সময়
আমাদেরকে অনেক বিপদে পড়তে হয়।যেমন ধরেন আমি।
একদিন আমি একা ঘুরতে গিয়েছিলাম সুন্দর একটি চা
বাগানে।হঠাৎ দেখতে পেলাম আমার মত সাদা র্শাট
আমার দিকে আসছে হাতে একটা কাচি নিয়ে।ভয় পেয়ে
আমি দ্রতু পালিয়ে যেতে শুরু করলাম।হঠাৎ আমি একটা
ইটের সাথে ডাক্কা খেয়ে মাটিতে পড়ে যাই।তার ঐ বদমাস
লোকটা আমার উপর কাচি দিয়ে আক্রমণ শুরু করল। ঠিক
সেই মুহুতে চোখ বন্ধ আমি জোরে কান্না শুরু করলাম।
তার চোখ খুলে দেখি আমি আমি একা একটা ঘরে বন্ধি
আছি।তারপর আর কিছু বলতে পারি না।